২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে তা জানতে চাচ্ছেন? প্রিয় পাঠক আপনি যদি ২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে সে বিষয়ে আগ্রহী থাকেন তাহলে আর্টিকেলটি আপনার জন্যই।

২০২৬-সালের-রমজান-কত-তারিখ-থেকে-শুরু-হবেপ্রিয় পাঠক আজ আমি আপনাদের আমার আর্টিকেলটির মাধ্যমে ২০২৬ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২০২৬ সালে রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে তা বিস্তারিতভাবে জানাবো।

পেজ সূচিপত্রঃ ২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে পোস্টটিতে আমরা যা যা জানবো

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে তা জানতে চাচ্ছেন এটা নিয়ে আপনি নিশ্চিত? হ্যাঁ প্রিয় পাঠক বুঝেছি আপনি জানতে চান, কেননা এই অব্দি আপনি আমার আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ছেন। প্রতিবছর পবিত্র রমজান মাসের জন্য অধীর আগ্রহী হয়ে বসে থাকেন বিশ্বের সকল মুসলিম। আল্লাহর নৈকট্য লাভের সবচেয়ে উত্তম সময় হলো রমজান মাস।

পবিত্র রমজান মাস মানেই সিয়াম, সাধনা, ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও পারিবারিক বন্ধন কে নতুন করে সাজানোর এক মহাসুযোগ। এ মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মুসলমানরা নিজেদের পাপ ধুয়ে মুছে স্রষ্টা নৈকট্য লাভের চেষ্টা করেন। বিশ্বজুড়ে কোটি মুসলমান এই মাসটির অপেক্ষায় থাকেন। তাই ২০২৬ সালের রমজান কবে থেকে শুরু হবে এ প্রশ্ন ইতিমধ্যেই অনেক মুসলমানের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।

জ্যোতির্বিদদের হিসাব অনুযায়ী ২০২৬ সালের রমজান মাস শুরু হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি। তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সূর্যাস্তের সময় নতুন চাঁদ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি ওই রাতে চাঁদ দেখা যায় তাহলে পরদিন থেকে শুরু হবে পবিত্র রমজান। তবে ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী চাঁদ দেখা ছাড়া রমজান শুরু হয় না। 

সাবান মাসের ২৯ তম রাতে আকাশে চাঁদ দেখা গেলে পরদিন থেকে রমজান শুরু হয়। আর চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিন পূর্ণ করে তারপর রোজা শুরু হয়। প্রত্যেক দেশের নিজস্ব চাঁদ দেখা কমিটি চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে রমজান শুরু তারিখ ঘোষণা করে। এ কারণে ই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রমজান শুরুর তারিখ ১-২ দিনের পার্থক্য হয়ে থাকে।

রমজান মাস শুধু উপবাসের নয় বরং আত্মশুদ্ধি, ধৈর্য ও সহমর্মিতা এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের শ্রেষ্ঠ সময়। এ মাসে পবিত্র কোরআন নাযিল হয়েছে। রয়েছে লাইলাতুল কদরের মতো মহিমান্বিত রজনী, যেটি হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। আমাদের জন্য আরও একটি খুশির সংবাদ হল এবার বাংলাদেশের রমজান শুরু হবে সহনীয় তাপমাত্রায়।

২০২৬ সালের রমজান ইংরেজি মাসের ক্যালেন্ডার

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে তা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী তুলে ধরার চেষ্টা করব। ২০২৬ সালের রমজান শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি। আমরা মুসলিম জাতি কিন্তু আমরা অনেকেই আরবি তারিখ বুঝতে পারিনা। আমরা বেশিরভাগই ইংরেজি ক্যালেন্ডার দেখে অভ্যস্ত। তাই আমি আপনাদের সুবিধার্থে ২০২৬ ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কত তারিখে রমজান শুরু তা তুলে ধরার চেষ্টা করব।
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ)
০১ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি
০২ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি
০৩ শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি
০৪ রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি
০৫ সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি
০৬ মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি
০৭ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি
০৮ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি
০৯ শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি
১০ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি
১১ রবিবার ০১ মার্চ
১২ সোমবার ০২ মার্চ
১৩ মঙ্গলবার ০৩ মার্চ
১৪ বুধবার ০৪ মার্চ
১৫ বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ
১৬ শুক্রবার ০৬ মার্চ
১৭ শনিবার ০৭ মার্চ
১৮ রবিবার ০৮ মার্চ
১৯ সোমবার ০৯ মার্চ
২০ মঙ্গলবার ১০ মার্চ
২১ বুধবার ১১ মার্চ
২২ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ
২৩ শুক্রবার ১৩ মার্চ
২৪ শনিবার ১৪ মার্চ
২৫ রবিবার ১৫ মার্চ
২৬ সোমবার ১৬ মার্চ
২৭ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ
২৮ বুধবার ১৮ মার্চ
২৯ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ

২০২৬ সালের রমজান বাংলা কত তারিখ থেকে শুরু হবে

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে তার বাংলা তারিখ অনেকেই জানতে আগ্রহী থাকে। কেননা ইংরেজি মাসের পাশাপাশি অনেকে বাংলা মাস অনুযায়ী তাদের নিত্যদিনের সকল কাজকর্মের দিন তারিখ ঠিক করে থাকে। ২০২৬ সালের ০১ম রমজান হবে ইংরেজি মাসের ১৯ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, যা বাংলা মাস অনুযায়ী ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ৭ই ফাল্গুন। আপনাদের সুবিধার্থে নিম্নে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী উপস্থাপন করা হলো।
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) বাংলা তারিখ (ফাল্গুন-চৈত্র)
০১ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ০৬ ফাল্গুন
০২ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ০৭ ফাল্গুন
০৩ শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ০৮ ফাল্গুন
০৪ রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ০৯ ফাল্গুন
০৫ সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ১০ ফাল্গুন
০৬ মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ১১ ফাল্গুন
০৭ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ১২ ফাল্গুন
০৮ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ ফাল্গুন
০৯ শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৪ ফাল্গুন
১০ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৫ ফাল্গুন
১১ রবিবার ০১ মার্চ ১৬ ফাল্গুন
১২ সোমবার ০২ মার্চ ১৭ ফাল্গুন
১৩ মঙ্গলবার ০৩ মার্চ ১৮ ফাল্গুন
১৪ বুধবার ০৪ মার্চ ১৯ ফাল্গুন
১৫ বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ ২০ ফাল্গুন
১৬ শুক্রবার ০৬ মার্চ ২১ ফাল্গুন
১৭ শনিবার ০৭ মার্চ ২২ ফাল্গুন
১৮ রবিবার ০৮ মার্চ ২৩ ফাল্গুন
১৯ সোমবার ০৯ মার্চ ২৪ ফাল্গুন
২০ মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২৫ ফাল্গুন
২১ বুধবার ১১ মার্চ ২৬ ফাল্গুন
২২ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২৭ ফাল্গুন
২৩ শুক্রবার ১৩ মার্চ ২৮ ফাল্গুন
২৪ শনিবার ১৪ মার্চ ২৯ ফাল্গুন
২৫ রবিবার ১৫ মার্চ ০১ চৈত্র
২৬ সোমবার ১৬ মার্চ ০২ চৈত্র
২৭ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ০৩ চৈত্র
২৮ বুধবার ১৮ মার্চ ০৪ চৈত্র
২৯ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ০৫ চৈত্র

২০২৬ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে তা নিয়ে ইতোপূর্বেই আলোচনা করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত চলবে, তবে চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করবে।
২০২৬-সালের-রমজান-কত-তারিখ-থেকে-শুরু-হবে
রমজান মাসকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাতের এবং শেষ ১০ দিন নাজাতের। এ মাসে মুসলমানরা রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগি করেন। নিম্নে ২০২৬ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার দেওয়া হলো।
রহমতের ১০ দিন
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ)
০১ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি
০২ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি
০৩ শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি
০৪ রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি
০৫ সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি
০৬ মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি
০৭ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি
০৮ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি
০৯ শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি
১০ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি
মাগফিরাতের ১০ দিন
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ)
১১ রবিবার ০১ মার্চ
১২ সোমবার ০২ মার্চ
১৩ মঙ্গলবার ০৩ মার্চ
১৪ বুধবার ০৪ মার্চ
১৫ বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ
১৬ শুক্রবার ০৬ মার্চ
১৭ শনিবার ০৭ মার্চ
১৮ রবিবার ০৮ মার্চ
১৯ সোমবার ০৯ মার্চ
২০ মঙ্গলবার ১০ মার্চ
নাজাতের ১০ দিন
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ)
২১ বুধবার ১১ মার্চ
২২ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ
২৩ শুক্রবার ১৩ মার্চ
২৪ শনিবার ১৪ মার্চ
২৫ রবিবার ১৫ মার্চ
২৬ সোমবার ১৬ মার্চ
২৭ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ
২৮ বুধবার ১৮ মার্চ
২৯ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ
৩০ শুক্রবার ২০ মার্চ

রমজান মাসের ফজিলত ও তাৎপর্য

রমজান মাসের ফজিলত ও তাৎপর্য অপরিসীম। এটি ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। এ মাসে মুসলমানরা সিয়াম সাধনার মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন করেন। রমজান মাসে কোরআন নাজিল হয়েছে, এ মাসেই লাইলাতুল কদর রয়েছে, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ মাসে মুসলমানরা সিয়াম, তারাবি, কোরআন তেলাওয়াত, দান-সদকা ইত্যাদির মাধ্যমে ইবাদত করেন।

রমজান মাস আমাদের জন্য অত্যন্ত মর্যাদাশীল ও বরকতময় মাস। আল্লাহ তাআলা এই মাসে রোজা রাখা কে ফরজ করেছেন এবং এই মাসের রাতগুলোতে তারাবির নামাজ পড়া কে সওয়াবের কাজ বানিয়েছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য এ মাসে কোন নফল ইবাদত করবে, কিছু করার আছে রমজানের বাহিরে আরো একটি ফরজ আদায় করার সওয়াব পাবে।

আর যে ব্যক্তি এই মাসে কোন ফরজ আদায় করবে সে রমজানের বাহিরে আরো ৭০ টি ফরজ আদায় করার সওয়াব পাবে। এটি সবরের মাস আর এই সবরের বিনিময়ে আল্লাহ তায়ালা জান্নাত দান করবেন। এই মাসে মুমিনের রিজিক বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যে ব্যক্তি রমজান মাসে রোজা রাখে ও রাতে দাঁড়িয়ে তারাবির নামাজ পড়ে তার ও পূর্বের সকল গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।

রমজান মাসে জান্নাতের সমস্ত দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। রমজান মাসে শয়তানকে আল্লাহ তায়ালা বন্দি করে রাখেন। এ মাসে আল্লাহ তায়ালা ইবাদতের পথকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন। এ মাসে ইবাদত করলে অন্যান্য মাসের তুলনায় সওয়াব অনেক বেশি পাওয়া যায়। তাই বলা যায় রমজান মাসের ফজিলত ও তাৎপর্য অপরিসীম।

২০২৬ সালের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি 

আমরা ইতোপূর্বেই জেনেছি ২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে। রমজান মাসে সেহরি ও ইফতার করা আবশ্যক। এখন আমরা জানবো রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে।
রহমতের ১০ দিন
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) সেহরি ইফতার
০১ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫৭ ০৬ঃ০০
০২ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫৬ ০৬ঃ০১
০৩ শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫৬ ০৬ঃ০১
০৪ রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫৫ ০৬ঃ০১
০৫ সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫৪ ০৬ঃ০২
০৬ মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫৩ ০৬ঃ০২
০৭ বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫৩ ০৬ঃ০২
০৮ বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫২ ০৬ঃ০৩
০৯ শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫১ ০৬ঃ০৩
১০ শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ০৪ঃ৫১ ০৬ঃ০৩
মাগফিরাতের ১০ দিন
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) সেহরি ইফতার
১১ রবিবার ০১ মার্চ ০৪ঃ৫০ ০৬ঃ০৪
১২ সোমবার ০২ মার্চ ০৪ঃ৪৯ ০৬ঃ০৪
১৩ মঙ্গলবার ০৩ মার্চ ০৪ঃ৪৮ ০৬ঃ০৫
১৪ বুধবার ০৪ মার্চ ০৪ঃ৪৭ ০৬ঃ০৫
১৫ বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ ০৪ঃ৪৬ ০৬ঃ০৫
১৬ শুক্রবার ০৬ মার্চ ০৪ঃ৪৫ ০৬ঃ০৫
১৭ শনিবার ০৭ মার্চ ০৪ঃ৪৪ ০৬ঃ০৫
১৮ রবিবার ০৮ মার্চ ০৪ঃ৪৪ ০৬ঃ০৬
১৯ সোমবার ০৯ মার্চ ০৪ঃ৪৩ ০৬ঃ০৬
২০ মঙ্গলবার ১০ মার্চ ০৪ঃ৪২ ০৬ঃ০৭
নাজাতের ১০ দিন
আরবি তারিখ (রমজান) বার ইংরেজি তারিখ (ফেব্রুয়ারি-মার্চ) সেহরি ইফতার
২১ বুধবার ১১ মার্চ ০৪ঃ৪১ ০৬ঃ০৭
২২ বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ০৪ঃ৪০ ০৬ঃ০৭
২৩ শুক্রবার ১৩ মার্চ ০৪ঃ৪০ ০৬ঃ০৭
২৪ শনিবার ১৪ মার্চ ০৪ঃ৩৯ ০৬ঃ০৮
২৫ রবিবার ১৫ মার্চ ০৪ঃ৩৮ ০৬ঃ০৮
২৬ সোমবার ১৬ মার্চ ০৪ঃ৩৭ ০৬ঃ০৮
২৭ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ০৪ঃ৩৫ ০৬ঃ০৯
২৮ বুধবার ১৮ মার্চ ০৪ঃ৩৩ ০৬ঃ০৯
২৯ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ০৪ঃ৩২ ০৬ঃ১০
৩০ শুক্রবার ২০ মার্চ ০৪ঃ৩০ ০৬ঃ১০

রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ ২৫ টি আমল

রমজান মাসের গুরুত্বপূর্ণ ২৫ টি আমল নিম্নে দেওয়া হল।
  1. সিয়াম পালন করা
  2. তারাবির নামাজ আদায় করা 
  3. কোরআন তেলাওয়াত করা 
  4. দান-সদকা করা
  5. শেষ দশ দিন ইতিকাফ করা 
  6. বেজোড় রাতগুলোতে লাইলাতুল কদর তালাশ করা 
  7. বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তেগফার করা 
  8. সেহরি খেয়ে রোজা রাখা 
  9. সূর্যাস্তের সাথে সাথে ইফতার করা 
  10. মেসওয়াক করা 
  11. গুনাহ থেকে তওবা করা 
  12. নফল নামাজ আদায় করা 
  13. কোরআন বুঝে আমল করা 
  14. আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা 
  15. ইফতারের আগে দোয়া করা 
  16. অন্যকে ইফতার খাওয়ানো 
  17. যাকাত দেওয়া
  18. নিজে কোরআন শেখা এবং অন্যকে শেখানো
  19. ফিতরাহ দেওয়া 
  20. গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করা 
  21. বেশি বেশি দোয়া করা 
  22. সকল ধরনের অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকা 
  23. তাকওয়া অর্জন করা 
  24. শেষ দশ দিন বেশি ইবাদত করা
  25. আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা

২০২৬ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে এটা নিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের যেরকম আগ্রহ থাকে তার থেকে বেশি আগ্রহ থাকে রমজানের পরে আসা পবিত্র ঈদুল ফিতর নিয়ে। ২০২৬ সালের রমজান মাস কত তারিখ থেকে শুরু হবে তা জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পূর্বাভাস দিয়েছেন। সৌদি আরবে ফেব্রুয়ারি মাসের ১৭ তারিখে চাঁদ দেখা গেলে সেখানে ১৮ তারিখে রমজান শুরু হবে।

সে অনুযায়ী রোজা ২৯ টি হলে ঈদ হবে মার্চ মাসের ১৯ তারিখে। আর রমজান মাস ৩০ দিনে হলে ঈদ উদযাপিত হবে মার্চ মাসের ২০ তারিখে। যেহেতু মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পরে আমাদের দেশে রোজা এবং পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়। সে অনুযায়ী আমাদের রোজা শুরু হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি এবং রোজা কয়টি তার উপর নির্ভর করে ঈদ হবে মার্চ মাসের ২০ বা ২১ ফেব্রুয়ারি।

রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের দোয়া

সেহরির দোয়াঃ নাওয়াইতু আন আছুম্মা গাদাম মিন্ শাহরি রমাজানাল মুবারাকি ফারদাল্লাকা, ইয়া আল্লাহু ফাতাক্বাব্বাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস্ সামিউল আলিম।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আগামীকাল রমজান মাসের ফরজ রোযা রাখার নিয়ত করলাম, তুমি আমার থেকে তা কবুল কর, নিশ্চয়ই তুমি সব শুনো এবং সব জানো।
২০২৬-সালের-রমজান-কত-তারিখ-থেকে-শুরু-হবে
ইফতারের দোয়াঃ  আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্য রোযা রেখেছি এবং তোমার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি।

রমজান মাসে তাকওয়া অর্জনের ১০ টি উপায়

আমরা ইতোমধ্যেই জেনেছি ২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে। এখন আমরা জানবো রমজান মাসে তাকওয়া অর্জনের উপায়। তাকওয়া হলো আল্লাহর ভয়, আল্লাহর প্রতি অন্তরে এক ধরনের ভীতি ও আশা রাখা। তাকওয়া অর্জন করলে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা পায়। তাকওয়া অর্জন করলে আল্লাহর রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত লাভ হয়। রমজান মাসে  তাকওয়া অর্জনের ১০ টি উপায়ঃ
  1. আল্লাহর ভয় অন্তরে রাখা 
  2. কোরআন পড়া ও বোঝা 
  3. নিয়মিত নামাজ আদায় করা 
  4. বেশি বেশি দোয়া ও দরুদ পড়া 
  5. গুনাহ থেকে বিরত থাকা 
  6. সৎ কাজ করা 
  7. নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ রাখা 
  8. আল্লাহর জিকির করা 
  9. রমজান মাসে রোজা রাখা 
  10. মৃত্যুর কথা স্মরণ করা 

রমজান মাসে দান-সদকার গুরুত্ব

রমজান মাসে দান সদকার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের সারা বছরই দান সদকা করা উচিত। তবে রমজান মাসে এর সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই রমজান মাসে বেশি বেশি দান সদকা করতে হবে। কেননা দান-সদকা মাফের অন্যতম উপায়। দান-সদকা করলে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়, জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। দান সদকা করলে রিজিকে বরকত আসে।

তার জন্য আমাদের রমজান মাসের ফিতরা আদায় করা আবশ্যক। রমজান মাসে ইফতার করালে সওয়াব পাওয়া যায়, গরিব দুঃখীদের সাহায্য করতে হবে। মসজিদ মাদ্রাসায় দান করতে হবে। আত্মীয় স্বজনদের দান সদকা করা। তার মাধ্যমে আল্লাহতালার সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, দোয়া কবুল হয়। আমাদের মনে পবিত্রতা আনে, বিপদ দূর হয়, সুস্থতা লাভের অন্যতম উপায় হল দান-সদকা। 

দান সদকা মৃত্যুর সময় সুখ আনে, কবরের আজাব থেকে মুক্তি দেয়, হাশরের ময়দানে ছায়া দেয়, পুলসিরাত পার হতে সাহায্য করে। জান্নাতে প্রবেশের উপায় হল দান সদকা, দান সদকা আল্লাহর কাছে মর্যাদা বৃদ্ধি করে, সম্পদের পবিত্রতা আনে, ঈমান বৃদ্ধি করে, সৎকর্মের সওয়াব দেয়, দুশ্চিন্তা দূর করে। রমজানে দান সদকার সওয়াব অনেক বেশি, লাইলাতুল কদরে দান সদকা সওয়াব বেশি ও এটি আল্লাহর কাছে ক্ষমা লাভের উপায়।

রমজান মাসের রোজা ভঙ্গের কারণ সমূহ

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখে থেকে শুরু হবে তা আমরা জেনেছি। রমজান হলো সিয়াম পালনের মাস। আমরা রোজা রাখার পর অনেক কারণে রোজা ভঙ্গ হয়ে যায়। আজকে রোজা ভেঙ্গে যাওয়ার কয়েকটি কারণ সম্পর্কে জানব।
  • ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে 
  • স্ত্রী সহবাস করলে 
  • ইচ্ছাকৃত মুখ ভরে বমি করলে 
  • বমি গিলে ফেললে
  • কুলি করার সময় গলায় পানি প্রবেশ করলে 
  • নেশা গ্রহণ করলে 
  • নাকে, কানে তেল বা ওষুধ প্রবেশ করলে 
  • দাঁতে আটকানো ছোলা পরিমাণ খাদ্য কণা গিলে ফেললে 
  • মুখে পান রেখে ঘুমিয়ে পড়লে 
  • সুবহে সাদিকের পর পানাহার করলে 
  • সূর্যাস্তের পর ইফতার করলে

শেষকথাঃ ২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে

২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে তা আমরা বিস্তারিতভাবে জেনেছি। এছাড়াও রমজান মাসের ক্যালেন্ডার, বাংলা, ইংরেজি ক্যালেন্ডার সম্পর্কেও জেনেছি। সেহেরী ও ইফতারের সময়সূচি ও দোয়া সহ আরো অনেক বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি।

আশা করছি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি ২০২৬ সালের রমজান কত তারিখ থেকে শুরু হবে, ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ, রোজা রাখার গুরুত্ব, রোজা ভাঙ্গার কারণসহ নানা বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে পেরেছেন। যদি আর্টিকেলটি পড়ে আপনি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামতটি জানাবেন এবং আপনার পরিচিতদের সাথে শেয়ার করবেন।









এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
1 জন কমেন্ট করেছেন ইতোমধ্যে
  • Arif Islam
    Arif Islam January 6, 2026 at 2:36 AM

    👍🏻 Nice post

মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ঐশী; আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url