লেবুর খোসা একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের কম বেশি প্রত্যেকের ঘরেই থাকে। লেবুর
খোসা ভিটামিন সি, ভিটামিন এ এবং ফাইবার সমৃদ্ধ হয়ে থাকে যা আমাদের শরীরের জন্য
অত্যন্ত উপকারী।
এটি যেমন উপকারে আসে ঠিক তেমনি এর অপব্যবহার ক্ষতি সাধন করতে পারে। আজকে আমরা এই
আর্টিকেল থেকে জানব লেবুর খোসার উপকারি এবং অপকারি দিকগুলো। তাই মনোযোগ সহকারে
আর্টিকেলটি পড়ুন।
লেবুর খোসা বলতে গেলে আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী, কেননা আমাদের সবার ঘরে লেবু থাকে।
কিন্তু আমরা লেবুর খোসার উপকারিতা জানিনা দেখে লেবুর খোসা গুলো ফেলে দেই। কিন্তু
এটির অনেক উপকারী দিক আছে। লেবুর সাথে থাকে ভিটামিন সি ভিটামিন এ এবং ফাইবার যা
আমাদের জন্য অনেক কার্যকরী। লেবুর খোসার উপকারিতার মধ্যে রয়েছে পাচনতন্ত্রের
উন্নতি, ত্বকের উজ্জ্বলতা, চুলের বৃদ্ধি ইত্যাদি।
লেবুর খোসা যেমন আমাদের অনেক উপকারে আসে তেমনি এর অনিয়ন্ত্রিত ও অসতর্ক ব্যবহার
আমাদের ক্ষতির কারণও হয়। কোন কিছুই পরিমাণে থেকে বেশি ব্যবহার করা উচিত না,
অতিরিক্ত ব্যবহার আমাদের ক্ষতিসাধন করে এ আমাদের সকলেরই জানা। লেবুর খোসা ও তার
ব্যতিক্রম না। লেবুর খোসা অতিরিক্ত খেলে/ব্যাবহারে এসিডিটি হতে পারে দাঁতের ক্ষয়
হতে পারে ত্বকের সমস্যাসহ আরও অনেক সমস্যা হতে পারে। নিচে আমরা আরো বিস্তারিত
ভাবে জানবো।
লেবুর খোসা খাওয়া যাবে কি এবং খাওয়ার নিয়ম
হ্যাঁ লেবুর খোসা খাওয়া যাবে, তবে সতর্কতার সাথে। এটি ভিটামিন সি, ভিটামিন এ,
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার এবং খনিজে ভরপুর। যা আমাদের উপকারে আসে এবং অসতর্ক
ব্যবহার আমাদের ক্ষতিও করে। লেবুর খোসা কুচি করে গরম পানিতে ফুটিয়ে পান করতে
পারেন, যা সকালে খালি পেটে খাওয়া খুব উপকারী। আবার লেবুর খোসা শুকিয়ে বা ওভেনে
গুঁড়ো করে স্যুপ, সালাদ, চা বা ভাতের সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।
বিভিন্ন রান্নায় যেমন মাছ-মাংস বা সবজি রান্নার সময় লেবুর খোসার কুচি যোগ করলে
রান্নায় স্বাদ বৃদ্ধি হয়। এছাড়াও ঝালমুড়ি বা চানাচুর মাখানোর সময় সামান্য
লেবুর খোসা কুচি করে দিলে স্বাদ নিতে বৃদ্ধি হয়। তবে লেবুর খোসা খাওয়ার
উপযোগী করার জন্য অবশ্যই আগে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে, যাতে কীটনাশক এবং অন্যান্য
রাসায়নিক পদার্থ দূর হয়। লেবুর খোসা বেশি খাওয়া যাবেনা এতে এসিডিটি ও অন্যান্য
সমস্যা হতে পারে।
লেবুর খোসা খাওয়ার উপকারিতা কি
লেবুর খোসা ভিটামিন সি ক্যালসিয়াম ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি চমৎকার
উৎস। লেবুর খোসা খেলে খোসায় থাকা ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি হাড়কে মজবুত করে, ওজন
কমাতে সাহায্য করে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে, হজম শক্তি বাড়ায়, মাড়ির
স্বাস্থ্য উন্নত করে, মানসিক চাপ কমায়, চুলের জন্য উপকারীসহ আরো অনেক উপকারে
আসে। নিম্নে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা আছে।
চুলের যত্নে লেবুর খোসার ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকরী একটা টিপস। যা চুলকে মজবুত,
উজ্জ্বল ও মসৃণ করে, খুশকি কমায় এবং চুল পড়া রোধে সাহায্য করে।এতে থাকা ভিটামিন
সি কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে যা চুলকে আরো শক্তিশালী করে। নিম্নে বিস্তারিত
আলোচনা করা হলো।
লেবুর খোসার টোনারঃ দুইটি লেবুর খোসা দুই কাপ পানিতে ১০ থেকে ১৫ মিনিট
ফুটিয়ে নিতে হবে। চুলে শ্যাম্পু করার পরে এই পানি দিয়ে চুল ভালোভাবে নিয়ে
নিতে হবে এবং হালকা ম্যাসাজ করতে হবে। এটি চুলকে করে তোলে মসৃণ ও ঝলমলে।
দই ও লেবুর খোসার মাক্সঃ শুকনো লেবুর খোসার মিহি গুঁড়ো দুই টেবিল চামচ নিতে
হবে। এর সাথে দই মেশিয়ে পেস্ট তৈরি করে চুলে ও মাথার ত্বকে লাগিয়ে 15 মিনিট
পরে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।
জলপাই তেল ও লেবুর খোসার প্যাকঃ লেবুর খোসা পিষে তার সাথে জলপাই তেল মিশিয়ে
পেস্ট তৈরি করতে হবে। এটি মাথার ত্বকে লাগালে এটি চুলে পুষ্টি যোগায় এবং চুল
মজবুত করতে সাহায্য করে।
খুশকি ও চুল পড়া রোধেঃ লেবুর খোসার গুড়ো অথবা খোসা ফোটানো পানি নারকেল
তেলের সাথে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করলে, এটি মাথার ত্বকের ph ভারসাম্য
রক্ষা করে। চুলের গোড়া মজবুত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। এর
অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান খুশকি ও মাথার ত্বকের সংক্রমণ কমায়।
ত্বকের যত্নে লেবুর খোসার ব্যাবহার
ত্বকের যত্নে লেবুর খোসা ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফাইবার, লিমনিন ও
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর যা উজ্জ্বল করে, দাগ কমায়, ব্রনের সমস্যা দূর করে এবং
বার্ধক্য জনিত লক্ষণ প্রতিরোধে সাহায্য করে। নিম্নে ত্বকের যত্নে লেবুর খোসার
ব্যাবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেঃ লেবুর খোসার গুঁড়োর সাথে এক ফোটা মধু মেশিয়ে লাগালে
ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। তবে লেবুর খোসায় প্রাকৃতিক এসিডের কারণে কিছু
সংবেদনশীল তোকে জ্বালাপোড়া বা লালচে ভাব হতে পারে তাই সতর্ক থাকতে হবে।
দাগ দূর করতেঃ বেসন দুধ ও লেবুর খোসার গুড়ো মিশিয়ে ভালোভাবে পেস্ট তৈরি করে
ব্যবহার করতে হবে।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্যঃ লেবুর খোসার গুঁড়ো, বেসন এবং দুধ মিশিয়ে পেস্ট তৈরি
করতে হবে। এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অনেক কার্যকর।
ত্বককে মসৃণ করতেঃ লেবুর খোসার গুঁড়ো সাদা চন্দন গুঁড়ো ও অ্যালোভেরা গুঁড়ো
মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে 20 মিনিট লাগিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।
ব্রণ ও সংক্রমণ কমাতেঃ লেবুর খসে থাকা উপাদান ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক সংক্রমণ
কমায় যা ব্রণ দূর করতে সহায়ক।
ক্যান্সার প্রতিরোধে লেবুর খোসার ভূমিকা
লেবুর খোসায় লিমোনিন অ্যান্টি-ক্যান্সার, নোবিলেটিন
অ্যান্টি-ক্যান্সার ও টেরপিন অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান গুলো রয়েছে, যা
ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি রোধ করে ও ক্যান্সার কোষের মৃত্যু ঘটায়। এছাড়াও লেবুর
খোসার ভিটামিন সি ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়ায়। লেবুর খোসা স্তন
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এমনকি কোলন ক্যান্সার ও ফুসফুস ক্যান্সারের
ঝুঁকি কমায়।
লেবুর খোসা খেলে কি ওজন কমে
হ্যাঁ, লেবুর খোসা ওজন কমাতে কার্যকর ভুমিকা রাখতে পারে বলে গবেষণায় জানা গেছে।
লেবুর রসের তুলনায় এর খোসায় কিছু নির্দিষ্ট উপাদান বেশি থাকে যা শরীরের বাড়তি
চর্বি ঝরাতে সাহায্য করে। লেবুর খোসা খাওয়ার জন্য ভালোভাবে ধুয়ে প্রস্তুত করে
নিতে হবে, খোসাগুলো কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে। লেবুর খোসা সালাদ বা রান্নায় ও
চায়ের ব্যবহার করা যায়। এতে থাকা উপাদানগুলো যেভাবে আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য
করে।
ফাইবারঃ লেবুর খোসায় ফাইবার রয়েছে যা পাচনতন্ত্রের উন্নতি করে, ক্ষুধা
কমায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
ভিটামিন সিঃ লেবুর খোসায় ভিটামিন সি রয়েছে যা বিপাক প্রক্রিয়া বাড়ায় এবং
ওজন কমাতে সাহায্য করে।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্টঃ লেবুর পাশে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর
টক্সিন দূর করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।
লেবুর খোসা দাঁতে ঘষার মাধ্যমে মুখের দুর্গন্ধ দূর করা যায় এবং দাঁত মজবুত ও
পরিষ্কার করা যায়। লেবুর খোসার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ভিটামিন সি ও
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান আমাদের মুখের দুর্গন্ধ দূর ও দাঁতের ক্ষয় রোধ করতে
সাহায্য করে।
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদানঃ লেবুর খোসায় থাকা অ্যান্টিব্যাকেরিয়াল উপাদান
মুখের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে। ফলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং তাদের ক্ষয় রোধ
হয়।
ভিটামিন সিঃ লেবুর খোসায় ভিটামিন সি রয়েছে যা মুখের ph ব্যালেন্স করে এবং
দাঁতের এনামেল শক্তিশালী করে।
আন্টি অক্সিডেন্টঃ লেবুর খোসায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায়
সাহায্য করে, ফলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।
হৃদরোগের রোগীর জন্য লেবুর খোসার কার্যকারিতা
হৃদরোগের রোগীর জন্য লেবুর খোসা অত্যন্ত উপকারী হতে পারে কারণ এতে হৃদযন্ত্রের
সুরক্ষায় কার্যকর বিভিন্ন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
লেবুর খোসাতে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়মিত
লেবুর খোসা সেবন উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। খোসাতে থাকা ভিটামিন সি
হৃৎরোগের ঝুঁকি কমায়। এটি হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
লেবুর খোসায় ফাইবার রয়েছে যা কোলেস্টেরল কমায়।
গরম পানিতে লেবু খাওয়ার অপকারিতা
আমরা অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে লেবু গরম পানি পান করে থাকে। আমরা যখন ঘুম থেকে
উঠি তখন আমাদের দেহের টক্সিন থেকে পরিত্রান পেতে এবং কোষগুলোকে পুনজ্জীবিত করতে
হাইড্রেশন প্রয়োজন হয়ে থাকে। কিন্তু আমরা বেশিরভাগ মানুষই স্বাদহীন পানি পান
করতে পছন্দ করি না। অনেকে সাত বাড়ানোর জন্য কয়েক ফোঁটা লেবুর রস গরম পানিতে
মিশিয়ে পান করে থাকেন।
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা দাঁত এবং চুল ভালো রাখে, ওজন কমাতে
সাহায্য করে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই এর এর সাইড ইফেক্ট পরে আমাদের উপরে।
গরম পানিতে লেবু খেলে গ্যাস, এসিডিটি, বমি, ক্ষুধামন্দা সহ আরো নানা সমস্যা দেখা
দেয়। লেবু পানি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে গরম পানিতে পান করলে আমাদের শরীরের
জন্য উপকারের চেয়ে ক্ষতি বেশি করতে পারে।
খালি পেটে লেবু পানি খেলে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উৎসেচক পেপসিন ভেঙে যায়।
লেবুতে থাকা সাইট্রিক এসিড পেপসিনকে ভেঙ্গে ক্ষতিকর এনজাইম তৈরি করে, যার জন্য
হজমের সমস্যা হয়। এছাড়াও দাঁতের ক্ষতি হতে পারে। লেবু অত্যন্ত এসিডিক, এটি ঘন
ঘন ব্যবহার বা পান করলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে যেতে পারে।
অতিরিক্ত লেবু গরম পানি সকালে খালি পেটে পান করলে তা হাড়ের ক্ষয়সাধন করে,
হাড়ের জয়েন্ট কে ধীরে ধীরে শোষণ করে। লেবুর রসে ভিটামিন সি বেশি পরিমাণে থাকে যা
মূত্রবর্ধক। এটি কিডনিতে প্রসব উৎপাদনে উৎসাহিত করে থাকে। এছাড়াও মাইগ্রেনের
সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। লেবু পানি শরীরে আয়রন বাড়াতে পারে, শরীরের অতিরিক্ত
আয়রন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করতে পারে।
লেবুর খোসার ৫ টি অপকারিতা দেখুন
অ্যাসিডিটিঃ লেবুর খোসা বেশি খেলে অ্যাসিডিটি হতে পারে, কারণ এটি অ্যাসিডিক
প্রকৃতির।
দাঁতের ক্ষয়ঃ লেবুর খোসায় অ্যাসিড রয়েছে, যা দাঁতের এনামেল ক্ষতি করতে
পারে এবং দাঁতের ক্ষয় ঘটাতে পারে। এছাড়াও রয়েছে সাইট্রিক অ্যাসিড, যা
দাঁতের এনামেলকে ক্ষতি করতে পারে।
ত্বকের সমস্যাঃ লেবুর খোসায় সাইট্রিক অ্যাসিড এবং লিমোনিন রয়েছে। যা ত্বকের
জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, বিশেষ করে সংবেদনশীল ত্বকের জন্য।
অনিদ্রাঃ লেবুর খোসা বেশি খেলে অনিদ্রা হতে পারে, কারণ এটি শরীরকে উত্তেজিত
করে।
ডায়রিয়াঃ লেবুর খোসায় সাইট্রিক অ্যাসিড এবং লিমোনিন রয়েছে, যা
ডায়রিয়া সৃষ্টি করতে পারে
লেবুর খোসা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যেমন উপকারে আসে তেমনি এর অসতর্ক ব্যবহার
আমাদের ক্ষতির কারণ হয়। আমরা চুলের যত্নে, ত্বকের যত্নে, ক্যান্সার প্রতিরোধে,
ওজন কমাতে, মুখের দুর্গন্ধ দূর, দাঁত পরিষ্কার ও ক্ষয় রক্ষার্থে, হৃদরোগের থেকে
মুক্তিসহ আরো নানা সমস্যায় সমাধান পেতে লেবুর খোসা ব্যবহার করে উপকার পেতে পারি।
তবে মনে রাখতে হবে এটি পরিমাণ মতো নিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে
দাঁতের ক্ষয়, ত্বকের সমস্যা, বমি, অনিদ্রা, ডায়রিয়া সহ বিভিন্ন ক্ষতির
সম্মুখীন হতে হবে। আশা করি আর্টিকেলটি পড়ে আপনার ভালো লেগেছে। আর্টিকেলটি পড়ে
যদি আপনি উপকৃত হন তাহলে আপনার মতামতটি কমেন্টে জানাবেন এবং আপনার বন্ধুদের সাথে
শেয়ার করে দিবেন।
ঐশী; আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url